আয়ো আয়ো ফেরি ফেরি আয়ো (কিস্তি ২) / আরফান আহমেদ

[ ১ম কিস্তির লিংক ]

Flag-map-of-nepal

এইরকম রাতে ঘুমোনোটাই মুশকিল। বাবার ব্যাবহার-করা চাদরটা গায়ে জড়িয়ে বেরিয়ে যাই ঘরের বাইরে। বিজেশ্বরীর এই বাড়িটার ২তলায় আমাদের এবারে ঠাঁই হলো। ঢালুটাতে বসে সিগারেট ধরাতেই দেখলাম, একজনকে তারপুলিনের বাইরে বেরিয়ে যেতে। হয়তো-বা অই বাড়িটার নিচতলার টয়লেটে যাবে, কে জানে, এইসব নিয়ে ভাববার সময় নাই এখন। ভয় পাইতে পাইতে মাথা আর কাজ করে না অনেক সময়, আর ভাবলেও বিষয়টাও কাজ করতে চায় না একসময়। কেমন এক নির্লিপ্ত ভাব, আমাদের কিছুই হয়নি, আর হলেও কিছু যায় আসে না। কারা যেন চিৎকার করে উঠল, মনে হলো আবার বুঝি কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু। কিন্তু আমি কেন টের পেলাম না! আমার পাশে শোয়া বন্ধুটার কথা ভাবতে লাগলাম, যদি আবার কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে যায়, তাহলে তো জেগে উঠবেই। সেটা নিয়েও এখন আর চিন্তা নাই। এর মাঝে দেখলাম, অই লোকটাকে কয়েকজন মিলে ধরে নিয়ে এল তাদের তাঁবুতে, একে অপরের সাথে কি কি জানি বলছে, হয়তো নেওয়ার ভাষায়, এই ভাষাটার কোনোকিছুই আমার জানা নাই, তাই বোঝারও উপায় নাই।

ওকে দিয়ে তারা একে অপরের মাঝে কি কি জানি বলতে লাগল, আমি দেখলাম এর মাঝে একজন রাজন’দাই, আমার দিকে তাকিয়ে একটা মুচকি হাসি দিয়ে এমন এক ভঙ্গি করল, মনে হলো আমায় বলছে, বুঝলি এবার! আমি কিছুই বুঝিনি এইসব ব্যাপারস্যাপার। এর মাঝে দেখলাম, একজন নারী অই লোকটাকে চটাশ চটাশ করে, দু’বার চড় লাগিয়ে দিলো। তারপর কি কি জানি বলল, কথাগুলো ঠিকমতে শুনতে পারি নাই। কিন্তু চড় খেয়েও লোকটা দাঁড়িয়ে থাকল। আমি ধীরে ধীরে ঐ বাড়িটার সামনে তারপুলিনের নিচে শুয়ে-থাকা অসংখ্য নরনারীর দিকে আগাইতে থাকলাম। রাজন’দাই তার বাবা-মা-র দিকে তাকিয়ে দেখল সব আছে নাকি ঠিকঠাক, জলের বোতলটাও দেখল একবার। তার পরে বাড়ির গেটের ভিতরে শুয়ে-থাকা দুই দল নরনারীর মাঝখানের খালি জায়গাটায় গিয়ে শোয়ার চেষ্টা করল। এর মাঝে আরো অনেক ঘটনাই ঘটল। তারপর কোনো এক-সময়, জিজ্ঞেশ করলাম কি হলো আসলে বিষয়টা।

লোকটা মাতাল, অদ্ভুত খেয়ালে ঐ-সকল মানুষের উপর দিয়েই হাঁটার চেষ্টা করল, বৌটা নাকি জাদুসোনা বলে ফিরাতে চাইল, কিন্তু সে ফেরে নাই। ভাব ধরে নাকি বলেছিল, আমি যাব কেন! হয়তো আরো কিছু বলেছিল, বেদম ভাব দেখাইসিল। তারপরেই বৌটা চড় লাগিয়ে দেয় একটা। আর কয়েকজন পুরুষ মিলে অরে ধরে-বেঁধে নিয়ে যায় ঢালু রাস্তাটার ওপারে তার নিজেদের তাঁবুটাতে।

আসলে কথা ছিল, বারো তারিখে সকালেই মেলামচির বাসে চড়ে সিপাঘাট যাব। বাস এতদিনে চালু হয়ে গেছে কিন্তু সংখ্যায় খুবই কম, দিনে দুটা করেই ছাড়ছে। তারপরেও আমার লাভ। যাইতে পারছি তাহলে। কিন্তু ঘটনা হলো স্বাগুন পোলাটা সেইরকম অলস। সারাদিন নাকি পারলে ঘুমায়া কাটাইতে চায়। আগের রাতে তার আমারে কল করার কথা থাকলেও করে নাই, আমিও ভদ্রতা দেখায়া, আমার মেজাজ দেখাই নাই তারে। সকালে কল করার পরে বলল, সে আসতেসে এক ঘণ্টার মাঝে। আমি অপেক্ষা করতে থাকি, একঘণ্টার মধ্যেই সে চলে আসে। এর মাঝে হলো কি, আমি ঘরের বিছানায় চাবিটা রেখে দরজাটা বন্ধ করে দিতেই, মনে হলো চাবিটা ঘরের ভিতরে। এই কথা শোনার পরে ক্লাউডিও আর তুশিক আমার দিকে যে-দৃষ্টিতে তাকাইল, তা দেখে ভয়ে কয়েকটা ঢোঁক গিললাম। তারপরে রিসিপশনে যে বাচ্চা মেয়েটা বসে, যারে দেখলেই মনে হয় সে একটা সুগারকিউব, তারে বললাম ঘটনাটা। তারপরে সে শশব্যস্ত হয়ে চাবি খুঁজে বের করার চেষ্টা করল, আমি আবার পাশের রুমের ব্যালকনি দিয়ে অই ঘরে ঢোকা যায় কি না তা দেখলাম। একদম অসম্ভব। কিন্তু এইটার মানে এই ঘরের আর আলাদা কোনো চাবি নাই। তারপরেও নানা ঝামেলা করে হোটেলের লোকজন তালা খুইলা ফালাইল। তারপরে আমরা সবাই, ইয়াংলিং নামের তিব্বতী রেস্তোরাঁটায় খাইতে গেলাম। এখন গ্রীষ্মকাল। কাঠমান্ডুর রোদ শরীরের চামড়টারে ছ্যাঁত ছ্যাঁত করে পুড়ায়া দেয়। তবে ছায়াতে বসলেই শান্তি, তাই গরমের দিনে ফ্যান ব্যাবহার না করলেও চলে। কিন্তু এই সকাল নয়টাতেও চোখ তুলে তাকানো যায় না। আর আসল ঘটনা হইল, সকালে ঘুম থেকে উঠার পরেই আমার মনে হইল শাক দিয়া ভাত না খাইলে আজকে মইরাও যাইতে পারি। কিন্তু এই রেঁস্তোরার মেন্যুতে দেখলাম, ‘নেপালী খানা’ জিনিশটা নাই। তাই এক কাপ র’ চায়ের কথা বইলা, মুখ গোমড়া কইরা বইসা থাকলাম। এর মাঝে আমাদের নানান পরিকল্পনার কথা হয়। স্বাগুনের বউয়ের কাছে পারমিশন নেয়াটাই ঝামেলা। তাই সে যাইতে পারবে না। কাঁচা বিয়া, এই ভূমিকম্পে, বাড়িটা ভাঙা সহ্য করা যাইতে পারে, কিন্তু বিয়াটা না। আরেকজনরে ডাকায়া আনল সে, ছেলেটা ভালো, শখে ফটোগ্রাফি করে, আর সমানে গাঁজা খায়। তাতে আমার সমস্যা থাকার কথা না। দুপুরের রোদ আরো চড়া হতে থাকে। জানালা দিয়ে বাইরে তাকাইলে মনে হয় পুরা থামেলে আগুন ধরে গেছে, চোখ মেলে তাকানো দায়।

তারপরে আমরা স্বাগুন আর অই ছেলেটাকে বিদায় দিয়ে ধীরে ধীরে আমরা হোটেলের দিকে ফিরতে থাকি। যখন হোটেলের নিচতলার সিমেন্টের পাটাতনে পা’টা ফেললাম সাথে সাথে মনে হতে থাকল, পাটাতনটা দুলছে, না-হয় জলে ভাসছে, তুশিক হয়তো তখনো রাস্তাটা পার হতে পারেনি, রাস্তার মাঝখানে ট্যাক্সি একটা কষে করল ব্রেক। বন্ধুটা রাস্তার ওই পারে চলে যেতে পেরেছে। এর মাঝে আমি আর ক্লাউডিও-ও রাস্তায় নেমে যাই, ততক্ষণে আমাদের আর বোঝার বাকি থাকল না কি চলছে দুনিয়ায়। ক্লাউডিওরে বললাম ভাই কিপ কাম কিপ কাম, আসলে নিজেরেই বললাম। ট্যাক্সিটা তখনো রাস্তার মাঝে আবার তেড়েফুঁড়ে চলার চেষ্টা করতে থাকল। ততক্ষণে আমাদের হোটেলের প্রায় বিপরীতের একটা প্রায় খোলা জায়গায় আশ্রয় নিলাম, এর মাঝে রাস্তায় হুড়োহুড়ি, আমি আর ক্লাউডিও চিৎকার করে বলতে থাকলাম সবাই শান্ত থাকেন, দৌড়াবেন না। কিন্তু দুনিয়া তখনো কাঁপছে। এর মাঝে এক শ্বেতাঙ্গী ক্লাউডিওর হাত-বাহু ধরে কাঁপতে শুরু করল। দুনিয়া এখনো কাঁপছে। হয়তো-বা থেমে গেছে, আমাদের তা মনে নাই। কারণ কাঁপুনিটা এখন আমাদের শরীরে। নিজ কাঁপে তো দুনিয়া কাঁপে। একদল হিস্পানিক আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে কি কি জানি বলা শুরু করল। আনা নামের যে মেয়েটা ক্লাউডিওর হাত ধরে ছিল এইবারে সে একটু শান্ত হওয়ার চেষ্টা করল। আর এক নেপালী নারী আমার দিকে তাকিয়ে কি কি জানি বলা শুরু করল, ভেবেছে আমিও নেপালী। এইখানে আমি মুখ না খুললে লোকে তা-ই ভাবে আমায়। তারপরে আমার টারজান ইংরেজিতে বলার চেষ্টা করলম, শান্ত থাকেন, আতঙ্কিত হবেন না। আমার দিকে তাকিয়ে হাসি দিলেন। আমিও হাসার চেষ্টা  করলম। এইসময়ে এইটা সবচেয়ে বড় ওষুধ মনে হয় আমার কাছে। হাইসা দেয়া। আসলে কি লোকজনরে শান্ত করতে গিয়া আসলে আমি নিজেরেই শান্ত করতে চাইছিলাম। আনা আর আমি আমরা সিগারেটে টান দিতে থাকলাম একের পরে এক। কিন্তু তার আতঙ্ক আর কমছে না। এর মাঝে আমি কইলাম অপেক্ষা করো, আরেকবার দুনিয়া কাঁপার জন্য অপেক্ষা করো। আর এইখানেই থাকো, ৩/৪ ঘণ্টা। কিন্তু সে বড়রাস্তায় যাইতে চায়, প্রায় কাইন্দা দিতেছে। লিসবনের নারী এত নরম হবেন ভাবি নাই। এমন সময়ে ক্লাউডিও আমারে দেখাইল যে বিপরীত দিকের জানালাগুলা কাঁপতেছে।

আমি কিছু ভিডিও করি লোকে রাস্তায় দৌড়াইতেছে। আর এই সময়ে আমি হাসতেছি দেইখা লোকে কেমন অদ্ভুত চোখে তাকাইতে থাকল, এর মাঝে উলটাদিকের গলির মাথা থাইকা ধোঁয়া বাইর হইতে থাকল। তারপরে কোনো এক-সময়ে আমরা সকলেই বড়রাস্তার দিকে আগাইতে থাকলাম। এর মাঝে বন্ধু তুশিকের সাথে আবার দেখা হইল, আমরা একে অপরের কাঁধে হাত দিয়া, বলতে থাকলাম বেঁচে থাকা আসলেই সুন্দর।

একদল উদ্ধারকর্মীর পিছু পিছু কিছুক্ষণ দৌড়াই, আমরা। তারা খোঁজে আমরাও খুঁজি। কাঠমান্ডুর শহরে মেলা বসেছে। মানুষের মেলা। চোখে চোখে আতঙ্ক, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, বিরক্তি, যন্ত্রণা, ঘেন্না, ভয়! কিন্তু সবকিছুর পরেও মানুষ কেমন জানি মানুষই। একটা ট্যাক্সি আমাদের নিয়ে ভক্তপুরের দিকে রওনা দেয়। মাঝপথে পেট্রোল ফুরিয়ে যায়, আমরা গাড়ি ঠেলি। সব পেট্রোলপাম্প বন্ধ হয়ে যায়। এক মার্কিনি এসে দাঁড়ায় রোড-আইল্যান্ডের যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম। নেপালী ছেলেটা তার মোটরবাইক থেকে লিটার-খানেক তেল ঢেলে দেয়। ভক্তপুর আজ আরো নিশ্চুপ। যেখানে দিনে-রাতে ভজনের দায়ে কান রাখা দায়, নিজের পায়ের শব্দ ছাড়া এইখানে আর কিছু নাই। দাধাত্রে মন্দিরের যে ‘চিয়া পস্‌ল’লে নিয়মিতই বাকি খাওয়া যেত, তার শেডের ট্যালিগুলো আজ নিচে ভেঙে-পড়া। খানিকটা দূরেই বিকেন, আরুন আরো অনেকেই। আমি তাদের দিকে তাকাই, লা ভিটা এবেলা!

সারাদিনে কিছু খাওয়া হয়নি আজ, দোকান খুলে কিছু সেদ্ধ আলু পাওয়া গেল, অই শুকনা মরিচের আচার দিয়ে গ্যাস্ট্রিকটা আরো বাড়ানো এই আর-কি। আবার ফিরে আসি কাঠমান্ডু কিশোর, কাবিনের ছোটবোন কবিতার জামাই, আমারে ফোন দিয়ে বলে সমস্যা হলে চলে আসো, এইখানে সবাই নিরাপদ।

কোনোমতে আমরা একটা বাস পেয়ে যাই ঠিমি পর্যন্ত, তারপর সেখান থেকে, থামেলের নানা হোটেল, অপ্রকৃতস্থের মতন আমরা সকলেই ব্যাগ গুছাই। সান মিগুয়েলের বোতলটা খোলাই হয়নি। অইটা হোটেলের অনিয়মিত ম্যানেজারকে দিয়ে বেরোই। ট্যাক্সি কোন পথে যে আমাদের নিয়ে যায় ঠাওর পাই না। স্বয়ম্ভু মন্দিরের কাছে কারা যেন একজন চোর ধরে ফেলে। এইখানে এখন চোর ধরা পড়ে। বাড়ি খালি পড়ে থাকে, চোর আসে, চোর ধরা পড়ে। পুলিশও থাকে আশেপাশে। অথচ সাধারণ সময়ে এইখানে চুরির খবর পাওয়া মুশকিল। আচ্ছা বাংলাদেশেও তো নিয়মিত এইরকম বাড়ির বাইরে থাকতে হয় লোকদের। তখনো কি এইরকম চোর ধরা পড়ে, নাকি চৌষট্টি কলার এই এক কলায়, তারা মহান মুনশি? কে জানে! আমার কখনো বাড়ির বাইরে পরিবার নিয়ে থাকতে হয়নি। তারপরে আমরা কোনোমতে বিজেশ্বরীর এই বাড়িটা খুঁজে পাই। বাড়িতে ওঠার খাড়া রাস্তাটার একপাশে তার্পুলিন-দেয়া ক্যাম্প, মানুষে মানুষে গায়ে গায়ে লেগে আছে। জুবুথুবু ।

রাজন’দাইয়ের বাড়িটা কুৎসিত দেখতে। কিন্তু এখনো টিকে আছে। আর উঠানে, উঠানের বাইরে, গায়ে গায়ে লাগানো মানুষের সারি। সারাদিনে এইবারে ভাত খাওয়া গেল। আমাদের ভয় কেটে গেলেও আতঙ্ক আর থামে না। কিন্তু এর মাঝে নিজেদের বোকামি আর ভয় নিয়ে হাসতে আমাদের বাধা নাই। রাজনদাইয়ের সাথে দেখা বহু বছর পরে। আমরা আমাদের অসফল জীবন, আর ভবিষ্যত নিয়ে করি হাসিতামাশা, একে অপরের ছবি দেখি। রাত বাড়ে। বোতলের তলানিতে থাকা নেগ্রিতায় চুমুকে আর কিশোর বয়সের মতন সিগারেট লুকিয়ে লুকিয়ে, আর আরো অনেকের মুণ্ডুপাত করে। পৃথিবী আবারো কাঁপে, দুইবার কেঁপে ওঠার পরে আমরা একে অপরের দিকে তাকাই। সব বুঝে যাই, সব বুঝে যাই। ও-পাশের ঘরটাতে ক্লাউডিও আর তুশিকও জেগে ওঠে। মনে হয় দোতলা থেকে নামতে হয়তো-বা চারবার পা ফেলি। কদম গোনার সময় কি ছিল কে জানে। তবে এখন তা-ই মনে হয়। আর স্মৃতি তো বারেবারে পাল্টাতে থাকে নয়া নয়া নিউরনে। বাড়ির বাইরে এসে দাঁড়াতেই, পিছনে দেখি খালি পায়ে তারা দুজনে উপস্থিত, সাথে ক্যামেরার ব্যাগ। প্রথমবারের মতো ২য়বার একই ভুল করিনি। রেডিও চেঁচিয়ে চলে। মাত্রাটা কত যেন, সাড়ে-চারের মতন, আর উৎপত্তিস্থল এইবারে কাঠমান্ডুই। নেপালী কুরা আলি আলি বুঝদাও। তাই খবরের জন্য কাউকে জিজ্ঞেশ করতে হয় নাই। তারপরে, আমরা ছবি তুলি নানান বিষয়ে কথা বলি। অন্য কথা অন্য। তারপরে কখন দুনিয়া স্বাভাবিক হয়ে আসে। কিন্তু আমরা এখনো মাঝে মাঝে কেঁপে উঠি । বাড়ির উঠানে এসে বসি আমরা আবার, কত কথা হয়। সব কাঁপাকাঁপি নিয়েই। আকাশে বাঁকা চাঁদ ওঠে। দুনিয়া আবারো কেঁপে ওঠে। আমরা আবারো বেরিয়ে যাই। তারপরে তো বিছানায় পিঠ ঠেকানোই দায়। শুধু কেঁপে ওঠে।

...

arfunআরফান আহমেদ

ফটোগ্রাফার 

Leave a comment

Filed under সারথি

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s